পিপলএনটেকের মিলিয়ন ডলারের স্কলারশিপ

পিপলএনটেকের মিলিয়ন ডলারের স্কলারশিপ

PeopleNTech

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসেই মার্কিন আইটি সেক্টরে সোয়া লাখ ডলার বেতনের চাকরি পেয়েছেন চাঁদপুরের সন্তান জাহিদুল ইসলাম। কম্পিউটার সায়েন্স বা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তার কোন অভিজ্ঞতাও ছিল না। প্রকৃত অর্থে তিনি ছিলেন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। জাহিদুল ইসলামের মত আরো অনেকেই মার্কিন আইটি সেক্টরে কাজের অফারসহ ইমিগ্র্যান্ট হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পথে রয়েছেন। আর যারা ইমিগ্রেশনের লাইনে নেই, তারা বাংলাদেশে থেকেই আউটসোর্সিং করছেন এবং উচ্চ বেতন পাচ্ছেন। এসব এখন আর স্বপ্ন বা কল্পনা নয়। একেবারেই বাস্তব। তথ্য-প্রযুক্তির সুবাদে মেধাবি এবং উদ্যমী বাংলাদেশিদের জন্যে এমন সুযোগ তৈরী করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট।

গত দেড় দশকে এই সংস্থাটি প্রবাসে ৫ হাজার বাংলাদেশিকে উচ্চ বেতনে আইটি সেক্টরে চাকরির সহযোগিতার পরিধির সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে রাজধানী ঢাকায়। গ্রীনরোড এবং পান্থপথের কর্নারে স্থাপন করেছে পিপলএনটেকের ক্যাম্পাস। সেখানে আইটি সেক্টরের লোভনীয় চাকরির যাবতীয় প্রস্তুতি শেখানো হচ্ছে। ৪ মাসের একেকটি কোর্সে আড়াই শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী ক্লাস নিচ্ছেন। এর অধিকাংশই পারিবারিক অথবা অন্য কোন প্রোগ্রামে যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্র্যান্ট হয়ে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। অর্থাৎ ঢাকা থেকে উড়াল দেয়ার পর জেএফকে এয়ারপোর্টে অবতরণ করেই তারা জাহিদের মত চাকরিতে যোগদান করবেন বলে আশা করছেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি সংলগ্ন ভার্জিনিয়াতে পিপলএনটেক ইন্সটিটিউটের প্রধান কার্যালয়। নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়া, কানাডা এবং ভারতেও এর শাখা রয়েছে। অর্থাৎ দিন যত যাচ্ছে, পিপলএনটেকের প্রতি উদ্যমী আর মেধাবিদের নির্ভরতাও বাড়ছে।


৪ মাসের একটি কোর্সের ফি ৪ হাজার ডলার করে। তবে অনেকেই ফ্রি কোর্স করার সুবিধাও পাচ্ছেন। আর এই সুবিধাকে আরো সম্প্রসারণ ঘটানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন পিপলএনটেকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিপ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রি নেন আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের স্বার্থে। এখন তার ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রির সাথে কোনই সম্পর্ক নেই। পুরোদস্তর কম্প্যুটার ইঞ্জিনিয়ার।